নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের কর অব্যাহতির মেয়াদ ৩ বছর বৃদ্ধি করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতারা। পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এবং স্বনির্ভরতা অর্জনে এ খাতে নীতিগত সহায়তার দাবি তাদের।
আজ রাজধানীর বেসিস মিলনায়তনে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের পাঁচটি সংগঠনের যৌথ ‘বাজেট প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অব্যাহতি শুধু আইটি এবং আইটিইএস নয় কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদন শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের ভূমিকা রাখবে। তাই কর অব্যাহতির মেয়াদ ৫ থেকে ৭ বছর বাড়ানো প্রয়োজন।
ব্রডব্যান্ড পেনেট্রেশনের হার বাড়ানো জরুরী উল্লেখ করে তারা বলেন, বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড পেনেট্রেশনের হার ১০ শতাংশ। কিন্তু স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তা ৬০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন৷ যে কারণে ইন্টারনেট সেবা দাতাদের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার না করা হলে স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমান বাধাগ্রস্ত হবে।
দেশের ক্লাউড সার্ভিস এবং ওয়েব হোস্টিং খাতে কর অব্যাহতির বিষয়টি পুনঃ বহাল রাখার দাবি জানান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা, দক্ষ জনবল তৈরিসহ তিনটি সুবিধা পেলে তথ্য প্রযুক্তি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হবে।
এসময় বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বাক্কো সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ, আইএসপিএবি সভাপতি মোঃ ইমদাদুল হক এবং ই ক্যাবের সহ-সভাপতি সৈয়দা আম্বারীন রেজা উপস্থিত ছিলেন।
