টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর দেশে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা । তবে শুরুতে সবাই ইন্টারনেট পাচ্ছেন না। ১৮ জুলাই রাত সাড়ে আটটা থেকে বাছাইকৃত এলাকায় জরুরিসেবা, আর্থিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমসহ কিছু খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ইন্টারনেট চালু হয়েছে।
এদিকে মোবাইল ইন্টারনেট এখনো বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে দেশের অন্যতম অপারেটর গ্রামীণফোন বলছে, ইন্টারনেট চালুর জন্য সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন তারা।
এ বিষয়ে গ্রামীণফোন এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার দেশের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। এ বিষয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যেই মিডিয়াতে তার বক্তব্য দিয়েছেন। আমাদের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভরশীল। এই বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলেছি।
এছাড়া মোবাইল ইন্টারনেট দ্রুতই চালুর ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বুধবার (২৪ জুলাই) মোবাইল ইন্টারনেটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক হতে পারে। বৈঠকে সার্বিক পরিস্থিতি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
