নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে শ্রমশক্তি থেকে শুরু করে সিদ্ধান্তগ্রহণ পর্যায়ে নারী পুরুষের সমতা নিশ্চিত করবে সরকার।
মন্ত্রী গতকাল (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে “প্রোমোটিং জেন্ডার রেস্পনসিভ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড টিভিইটি সিস্টেমস্-” ProGRESS প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপি জামায়াত জোটের সব নীতিই ছিলো নারী বিদ্দেশী। কিন্তু টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার নারীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের কারণে এখন সর্বক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় নারী পুরুষের সমতা অর্জনে সরকার কাজ করছে। আগামী বছরের মধ্যে শিক্ষকের কোন ঘাটতি থাকবে না বলেও জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, আইএলও-এর কারিগরি সহায়তায় ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে ২০ মিলিয়ন কানাডীয় ডলার অর্থায়ন করবে কানাডা সরকার।
প্রকল্পের আওতায় পাঁচ বছরে দশ হাজার জন তরুন তরুনীকে অন্তর্ভুক্তিমুলক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করা হবে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ নারী, ৫ শতাংশ প্রতিবন্ধী এবং ৩ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।
সারাদেশের চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, সিলেট, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, দিনাজপুর, খুলনা ও বরিশাল জেলার উপকূলীয় অঞ্চলসহ মোট দশটি জেলায় এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার মিস লিলি নিকোলস বলেন, উদ্যোগটি কারিগরি শিক্ষা এবং এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট এর ব্যবস্থাগুলোকে অধিকতর শক্তিশালী করার জন্য চালু করা হয়েছে যাতে নীতি, পদ্ধতি এবং অপারেশনাল পর্যায়ে কাজ করার মাধ্যমে নারীদের জন্য এই বিষয়গুলোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সুলভ করা যায়।
আইএলও বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিআইনেন বলেন, আইএলও ৪র্থ ডিসেন্ট ওয়ার্ক কান্ট্রি প্রোগ্রাম ২০২২-২৭ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করছে যেখানে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জেন্ডার সমতা এবং জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতার অবসানের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন। এই প্রকল্পটি ডিডব্লিউসিপি-এর প্রধান স্তম্ভগুলোকে গুরুত্ব দিবে যার মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতার অবসান।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ডক্টর কামাল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ডক্টর মো: ওমর ফারুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার মিস লিলি নিকোলস এবং আইএলও বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি টুমো পৌটিআইনেন বক্তব্য রাখেন
