নিজস্ব প্রতিবেদক: টেলিযোগাযোগ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ ও নীতিমালার বৈষম্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এনটিটিএন (ন্যাশনাল টেলিকমিনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) অপারেটররা। তারা বলছেন, বিদ্যমান ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে নতুন টপোলজি চাপিয়ে দিলে বিপন্ন হবে সারাদেশে বিস্তৃত ফাইবার নেটওয়ার্ক। ছোট আইএসপি কোম্পানিগুলো বাজার থেকে ছিটকে পড়বে, বাড়বে কর্মহীনতা।
বুধবার রাজধানীতে টিআরএনবি আয়োজিত ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা: কোন পথে এনটিটিএন’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান কাঠামো প্রযুক্তিবান্ধব নয়—এই যুক্তিতে নতুন টপোলজি চাপানো হচ্ছে। অথচ নীতিগত চাপ ও সীমিত প্রতিযোগিতার কারণে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির চিফ গভর্নেন্স অ্যাফেয়ার্স অফিসার আব্বাস ফারুক জানান, বর্তমানে ছয়টি এনটিটিএন অপারেটর দেশজুড়ে প্রায় দেড় লাখ কিলোমিটার ফাইবার ক্যাবল স্থাপন করেছে। এ বিনিয়োগ এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। মোবাইল অপারেটরদের ডিডব্লিউডিএম ব্যবহারের অনুমতি, এবং সরকারি-বেসরকারি এনটিটিএনের মধ্যে বৈষম্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ফাইবার অ্যাট হোমের গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বৈষম্য আরও বাড়বে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে মোবাইল অপারেটরদের হাতে।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা স্টারলিংকের বাংলাদেশে আগমনকে ইন্টারনেট খাতে একদিকে সম্ভাবনা, অন্যদিকে বাজারের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।
