নিজস্ব প্রতিবেদক : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশের ৯ হাজার ডাকঘরের ৪৪ হাজার কর্মী ও ১৮ হাজার উদ্যোক্তা মিলিয়ে বিস্তৃত অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে ডাক বিভাগকে শ্রেষ্ঠতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি পুরো ডাক ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার কাজ চলছে।
মন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া এবং বালিহাটি ডাকঘর ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডাক সেবাকে ডিজিটাইজ করতে গৃহীত কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, ডাকঘরকে বিশ্বের সেরা ডাক কেন্দ্রে রূপান্তরের জরীপ কাজ চলছে। সেপ্টেম্বরেই এই কাজ শেষ হবার কথা। এরপরই আমরা প্রকল্প প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করবো।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের মানুষ এসএমএস, মেইল, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোতে দেশে বিদেশে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলে। এগুলো আমাদের জন্য প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করেছি।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ১৪টি শর্টিং সেন্টার নির্মাণ ও ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের ৬৪টি জেলার সব কটি শটিং সেন্টার ডিজিটাইজ করার জন্য তিনি একনেক বৈঠকে অনুশাসন দিয়েছেন। একই সাথে রেলে চিলিং বগি ও আমাদের চিলিং ভ্যান চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, খুব সহসাই আপনারা বাড়িতে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারবেন আপনার পার্সেলটা কোথায় আছে। আরো জানতে পারবেন, কোন পোস্টম্যানের কাছে বা কে ডেলিভারি দিবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, দেশের কোনো কুরিয়ার সার্ভিস ডাক বিভাগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা রাখে না। বাংলাদেশে ৯ হাজারের মতো ডাকঘর রয়েছে। এগুলোতে কর্মরত পোস্টম্যানরা প্রত্যেক বাড়ি চেনেন। এ ব্যবস্থা কোনো কুরিয়ার সার্ভিস করতে পারবে না।
মন্ত্রী নির্মাণাধীন ডাকঘরের নির্মাণ কাজ ঘুরে দেখেন এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ডাক অধিদপ্তর ও স্থানীয় উপজেলার পদস্থ কর্মকর্তাগণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
