কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। এদের একজন মারা গেছেন বলে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই তথ্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রাজধানীর শাহবাগে আন্দোলনরত কোটাবিরোধীরা। রাত সোয়া ৭টার দিকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে এই তথ্য প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
কোটা বাতিলের দাবিতে গত ১ জুলাই আন্দোলনে আছেন শিক্ষার্থীরা। এরপর গত ৭ জুলাই থেকে ‘বাংলা ব্লকেড’ নামে এই অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। যদিও বুধবার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। তবে, শিক্ষার্থীরা আপিল বিভাগের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আজ কুমিল্লায় কোটাবিরোধীরা পুলিশের বাধার মুখোমুখি হয়। বিকেল সোয়া ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় আনসার ক্যাম্পের সামনে পুলিশ অন্তত ১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এক তথ্য বলছে, শুরু থেকে শেষ অবধি আহত হন অন্তত ২০ জন। এ ঘটনার তথ্য চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে, আহতদের একজন মারা গেছেন বলেও খবর ছড়িয়ে পড়ে। সেই তথ্য প্রত্যাহার করে শাহবাগ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়।
মাইকে বলা হয়, কুমিল্লায় কোটাবিরোধীদের ওপর পুলিশি বাধায় আহতদের একজন মারা গেছেন বলে যে তথ্য প্রচারিত হয়েছে, তা ভুল বলে প্রত্যাহার করা হলো।
