ডিজিটাল বার্তা ডেস্ক: রাজশাহীর প্রেমতলী অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল ক্ষমতায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে সম্প্রতি রাজশাহী সফর করেছেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ। এই সফর ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ’ প্রকল্পের আওতায় করা হয়, যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ই-কমার্স, সরকারি সেবা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন। সফরে গ্রামীণফোনের পাশাপাশি টেলিনর এশিয়া ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি দল একটি উঠান বৈঠক পরিদর্শন করেন, যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণকারীরা ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল সাক্ষরতার পাঠ নিচ্ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, যা দেখায় কিভাবে ডিজিটাল শিক্ষা ও সংযোগ জীবনমান উন্নত করতে এবং নতুন সুযোগ তৈরি করতে সহায়তা করছে।
গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও টেলিনর এশিয়ার প্রধান জন ওমুন্ড রেভহাগ বলেন, “মানুষ যখন প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হয়, তখন তার সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যায়। রাজশাহীর নারী ও তরুণদের গল্প প্রমাণ করে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কতটা রূপান্তরমূলক হতে পারে।”
গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, “ডিজিটাল অগ্রগতি তখনই অর্থবহ, যখন তা সবার জন্য উন্মুক্ত। রাজশাহীর অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে কিভাবে লক্ষ্যভিত্তিক ডিজিটাল সাক্ষরতা প্রকল্প সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।”
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, “অনলাইনে নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রান্তিক তরুণদের জন্য সমাজে বাস্তবিক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে এবং আমাদের লক্ষ্য এখনও চলমান।”
গ্রামীণফোন ও টেলিনরের যৌথ উদ্যোগ স্থানীয় পার্টনারদের সহযোগিতায় ডিজিটাল সাক্ষরতা ও অনলাইন নিরাপত্তার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন, আত্মবিশ্বাস এবং স্বাধীনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এসব কার্যক্রম অংশগ্রহণকারীদের শুধু জীবিকা উন্নত করেনি, বরং তাদের ডিজিটাল বিশ্বে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সুযোগও দিয়েছে।
